, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শিরোনাম: নাট্যকার ও নির্মাতা আলী সুজনের নাট্যজগতের দীর্ঘ পথচলা কাশিমপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ কক্সবাজারে!! শিরোনাম: স্পোর্টস সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন থেকে তরুণ নাট্য নির্মাতা রাহাত নলী!! ছোট বেলায় স্পোর্টস সাংবাদিক ও ধারাভাষ্যকার হতে চাওয়া ছেলেটা এখন তরূণ নাট্য নির্মাতা রাহাত নলী!! বিগ সিটি কমিউনিকেশনস এর প্রযোজনায়, শেখ সাদী ও সামিরা খান মাহি অভিনিত নাটক নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি!! তরুণ অভিনেতা সারজিন হোসেন জিমের পথচলা!! টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়ায় প্রশংসিত নির্মাতা অপি আশরাফের পথচলা!! থিয়েটারের প্রাণপুরুষ প্রলয়জামানের জন্মদিন আজ!! মিথ্যা মামলায় আটক সাংবাদিক মিশাল মন্ডলসহ দুইজন জামিনে মুক্ত” “জেলগেটে সহকর্মীদের ফুলেল সংবর্ধনা”!! জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার মহাসচিবের সাথে টাংগাইল জেলা কমিটির মতবিনিময়!!

শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে সাভার–আশুলিয়ায় স্বেচ্ছাসেবী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসনে মাঠে শ্রমিক পুলিশ

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৪ পড়া হয়েছে

সাভার প্রতিনিধি:

দৈনিক আয়না শহর ঃ

শিল্পাঞ্চলখ্যাত সাভার, আশুলিয়া, নবিনগর ও বাইপাইল এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা নিরসনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবী ট্রাফিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘শ্রমিক পুলিশ’ গঠন করে নিয়মিত ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড়, শিল্পকারখানার সামনে, বাসস্ট্যান্ড ও যানজটপ্রবণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন শ্রমিক পুলিশ সদস্যরা। তারা যানবাহন সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল নিশ্চিত করা, অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, পথচারীদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারে সহায়তা করা এবং হঠাৎ যানজট সৃষ্টি হলে দ্রুত সমাধানে কাজ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পাঞ্চলগুলোতে কর্মঘণ্টার শুরু ও শেষে শ্রমিকদের যাতায়াতে মারাত্মক যানজট সৃষ্টি হয়। এতে শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শ্রমিকদের নিয়েই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবী শ্রমিক পুলিশ মাঠে নামে।


শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজ বলেন, “শিল্পাঞ্চলে লক্ষাধিক শ্রমিক প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়লে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় শ্রমিকদেরই। তাই আমরা স্বেচ্ছায় সড়কে নেমেছি, যাতে সবাই নিরাপদে ও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।” তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগ কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসচালক, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, শ্রমিক পুলিশের উপস্থিতিতে সড়কে শৃঙ্খলা বেড়েছে, যানজট আগের তুলনায় কমেছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়গুলোতে ট্রাফিক চলাচল কিছুটা হলেও স্বাভাবিক থাকছে।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। যথাযথ সমন্বয় ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সাভার–আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের ট্রাফিক সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

শিরোনাম: নাট্যকার ও নির্মাতা আলী সুজনের নাট্যজগতের দীর্ঘ পথচলা

শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে সাভার–আশুলিয়ায় স্বেচ্ছাসেবী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসনে মাঠে শ্রমিক পুলিশ

প্রকাশের সময় : ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

সাভার প্রতিনিধি:

দৈনিক আয়না শহর ঃ

শিল্পাঞ্চলখ্যাত সাভার, আশুলিয়া, নবিনগর ও বাইপাইল এলাকায় দীর্ঘদিনের যানজট ও ট্রাফিক বিশৃঙ্খলা নিরসনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবী ট্রাফিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ‘শ্রমিক পুলিশ’ গঠন করে নিয়মিত ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড়, শিল্পকারখানার সামনে, বাসস্ট্যান্ড ও যানজটপ্রবণ এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন শ্রমিক পুলিশ সদস্যরা। তারা যানবাহন সুশৃঙ্খলভাবে চলাচল নিশ্চিত করা, অবৈধ পার্কিং বন্ধ করা, পথচারীদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারে সহায়তা করা এবং হঠাৎ যানজট সৃষ্টি হলে দ্রুত সমাধানে কাজ করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পাঞ্চলগুলোতে কর্মঘণ্টার শুরু ও শেষে শ্রমিকদের যাতায়াতে মারাত্মক যানজট সৃষ্টি হয়। এতে শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হন। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শ্রমিকদের নিয়েই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মো. শামিম পারভেজের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবী শ্রমিক পুলিশ মাঠে নামে।


শ্রমিক নেতা মো. শামিম পারভেজ বলেন, “শিল্পাঞ্চলে লক্ষাধিক শ্রমিক প্রতিদিন যাতায়াত করেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়লে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় শ্রমিকদেরই। তাই আমরা স্বেচ্ছায় সড়কে নেমেছি, যাতে সবাই নিরাপদে ও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।” তিনি আরও বলেন, এ উদ্যোগ কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নয়, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসচালক, পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, শ্রমিক পুলিশের উপস্থিতিতে সড়কে শৃঙ্খলা বেড়েছে, যানজট আগের তুলনায় কমেছে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়গুলোতে ট্রাফিক চলাচল কিছুটা হলেও স্বাভাবিক থাকছে।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি এ ধরনের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। যথাযথ সমন্বয় ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে সাভার–আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের ট্রাফিক সংকট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।