, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এক দিনে মিলিয়ন ভিউ, তন্ময় সোহেলকে নিয়ে প্রথম কাজেই রাহুল রাজুর ধামাকা আব্দুল্লাহ আলিফের নির্মাণে আসছে ‘ভালো থেকো নীরা’ ২৭ আগস্ট Bongo-তে আসছে বাবু সিদ্দিকী অভিনীত ১ম নাটক ‘পুরানো দিনের প্রেম’!! কাশিমপুরে চাঁদাবাজ-ভূমি দালাল কুদ্দুস গ্রেফতার, প্রেসক্লাব সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় মামলা* শেষ মুহূর্তে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে রাজু আহামেদ!! ধারাবাহিক নাটক বেগম পাড়া এর শুভ মহরত অনুষ্ঠিত!! প্রটোকল ছাড়া, সাধারণ পোশাকে রাতের বেলা কাশিমপুরে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন, * ওসি খালিদ হোসেন* আশুলিয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস!! ১৪ আগস্ট লাবন্য মিডিয়া হাউজের ‘শুভ মহরত’, ‘প্রেস কনফারেন্স’ ও ‘জন্ম উৎসব ২০২৬’ *কাশিমপুরে লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘ভুয়া ছাত্রদল নেতা’ গ্রেফতার*

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ৪৫ দিন আগেই তফসিলের ইঙ্গিত ইসির

  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ৪৮ পড়া হয়েছে

নুরে আলম জিকু :

দৈনিক আয়না শহর :

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী অক্টোবর থেকে আয়োজনের পরিকল্পনা ধরে সব ধরনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কোন নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ফল উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, বাস্তবতা বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন ধাপে ধাপে শুরু করার পক্ষেই রয়েছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, “সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা সম্ভব নয়। কোন নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপরই তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ভোটের অন্তত ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। সে অনুযায়ী অক্টোবরে ভোট আয়োজনের লক্ষ্য থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তফসিল প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের অধিকাংশ জায়গায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই। তবে উপজেলা পরিষদ গঠনে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা থাকায় বাস্তবতার নিরিখে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন আগে আয়োজন করাই অধিক যৌক্তিক বলে মনে করছে কমিশন।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান হলে নির্বাচন আয়োজন আরও সহজ হবে।

সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মাছউদ বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় বিপুল জনবল ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। তাই বাস্তবতার আলোকে সরকারের সঙ্গে লিখিত ও অলিখিত সমন্বয়ের মাধ্যমেই কমিশন এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আরেক নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন প্রস্তুতির সর্বশেষ অগ্রগতি গণমাধ্যমকে জানাবেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, তাহমিদ আহমদ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এক দিনে মিলিয়ন ভিউ, তন্ময় সোহেলকে নিয়ে প্রথম কাজেই রাহুল রাজুর ধামাকা

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ৪৫ দিন আগেই তফসিলের ইঙ্গিত ইসির

প্রকাশের সময় : ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

নুরে আলম জিকু :

দৈনিক আয়না শহর :

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী অক্টোবর থেকে আয়োজনের পরিকল্পনা ধরে সব ধরনের প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে কোন নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ফল উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, বাস্তবতা বিবেচনায় ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন ধাপে ধাপে শুরু করার পক্ষেই রয়েছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেন, “সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা সম্ভব নয়। কোন নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এরপরই তফসিল ঘোষণা করবে কমিশন।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ভোটের অন্তত ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হয়। সে অনুযায়ী অক্টোবরে ভোট আয়োজনের লক্ষ্য থাকলে নির্ধারিত সময়ের আগেই তফসিল প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার জানান, বর্তমানে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদের অধিকাংশ জায়গায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই। তবে উপজেলা পরিষদ গঠনে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা থাকায় বাস্তবতার নিরিখে ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন আগে আয়োজন করাই অধিক যৌক্তিক বলে মনে করছে কমিশন।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সীমানা-সংক্রান্ত জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধান হলে নির্বাচন আয়োজন আরও সহজ হবে।

সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মাছউদ বলেন, নির্বাচন পরিচালনায় বিপুল জনবল ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন হয়। তাই বাস্তবতার আলোকে সরকারের সঙ্গে লিখিত ও অলিখিত সমন্বয়ের মাধ্যমেই কমিশন এগিয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত আরেক নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে নির্বাচন কমিশনের সচিব ধারাবাহিকভাবে নির্বাচন প্রস্তুতির সর্বশেষ অগ্রগতি গণমাধ্যমকে জানাবেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, তাহমিদ আহমদ এবং ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।