, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আব্দুল্লাহ আলিফের নির্মাণে আসছে ‘ভালো থেকো নীরা’ ২৭ আগস্ট Bongo-তে আসছে বাবু সিদ্দিকী অভিনীত ১ম নাটক ‘পুরানো দিনের প্রেম’!! কাশিমপুরে চাঁদাবাজ-ভূমি দালাল কুদ্দুস গ্রেফতার, প্রেসক্লাব সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় মামলা* শেষ মুহূর্তে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে এগিয়ে রাজু আহামেদ!! ধারাবাহিক নাটক বেগম পাড়া এর শুভ মহরত অনুষ্ঠিত!! প্রটোকল ছাড়া, সাধারণ পোশাকে রাতের বেলা কাশিমপুরে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছেন, * ওসি খালিদ হোসেন* আশুলিয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস!! ১৪ আগস্ট লাবন্য মিডিয়া হাউজের ‘শুভ মহরত’, ‘প্রেস কনফারেন্স’ ও ‘জন্ম উৎসব ২০২৬’ *কাশিমপুরে লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘ভুয়া ছাত্রদল নেতা’ গ্রেফতার* ঢাকা-আড়াইহাজার সড়কে সিএনজি ভাড়া অতিরিক্ত বৃদ্ধির পাঁয়তারা :

শিরোনাম: নাট্যকার ও নির্মাতা আলী সুজনের নাট্যজগতের দীর্ঘ পথচলা

  • প্রকাশের সময় : ০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৮ পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক:

দৈনিক আয়না শহর ঃ

নাট্যকার ও নাট্যনির্মাতা আলী সুজন বাংলাদেশের টেলিভিশন নাট্যাঙ্গনের একজন পরিচিত নাম। শিল্প–সংস্কৃতির উর্বর ভূমি কিশোরগঞ্জ জেলার,করিমগঞ্জ উপজেলার সদর আশুতিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া এই নির্মাতা দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশন নাটক ও টেলিছবি নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।

তার রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত বহু নাটক ও টেলিছবি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য টেলিছবি “আশা নিরাশার বেলা”, “বাকতলির পরি”, “কেবিন নাম্বার ৪০/৮০” যা মাছরাঙ্গা টেলিভিশন-এ প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া “মনদরিয়ার মাঝি” প্রচারিত হয় একুশে টেলিভিশন-এ এবং “বজলো লাঠিয়াল” ও “নীর ভাঙ্গা ঢেউ” প্রচারিত হয়েছে চ্যানেল আই-এ।
নাটক “যে ভুলের নেই সীমানা” একুশে টেলিভিশনে, “ভালোবাসার মাইর প্যাচ” ও “তোতামি আর হানিমুন” এশিয়ান টেলিভিশন-এ এবং “এখানে রাত হয়ে যায়” ও “শূন্যতায় খুঁজি” নাগরিক টিভি-তে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়াও তার নাটক “নিঃশব্দ বিচরণ” ও “টেলি লাভার বয়” প্রচারিত হয়েছে এটিএন বাংলা-এ। নাটক “অতঃপর যা হলো” প্রচারিত হয়েছে আরটিভি-তে।

পর্ব নাটকের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার সফলতা। “মামা ভাগিনা ৫০-৫০”, “রূপসী নাগিন”, “পালাকার”, “হাইপারসনিক লাভ”, “তিন গুণে ত্রিফলা”, “ভিউ পাগলা” এবং “বিয়ের উচ্চতর চাপ” নাটকগুলো বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া “বড় ছেলের পরের গল্প” নাটকটি প্রচারিত হয়েছে এশিয়ান টেলিভিশন ও ইউটিউব চ্যানেল সিডিভিশন ড্রামায়।

ধারাবাহিক নাটকের মধ্যেও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য কাজ। এর মধ্যে “ভেলকিচুর”, “নগর জীবন”, “রূপ কুমারের গাঁও”, “রঙের ছাত্রী রঙের মাস্টার”, “ভবের পাগল”, “রঙের মানুষেরা”, “মহানায়ক”, “মহা পণ্ডিত” এবং “খেলার পুতুল” উল্লেখযোগ্য। এছাড়া “মেঘ ও পরীর গল্প” নামের ১৩ পর্বের নাটকটি প্রচারিত হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ।

বর্তমানে গাজী টেলিভিশন-এর জন্য নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে মেগা ধারাবাহিক নাটক “বুদ্ধিমান গাধা”। নাটকটির রচনা ও পরিচালনা করছেন আলী সুজন এবং এর পাণ্ডুলিপি রচনার কাজ চলমান রয়েছে।

নাট্য নির্মাতা আলী সুজন বলেন, বর্তমানে ইউটিউবের ভিউনির্ভরতা ও কিছু শিল্পীর আকাশচুম্বী পারিশ্রমিকের কারণে তিনি একক নাটক নির্মাণ থেকে অনেকটা দূরে সরে এসেছেন। তাই এখন তিনি মূলত মেগা ধারাবাহিক ও ঈদকে ঘিরে বিশেষ পর্বের নাটক নির্মাণ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন।

জনপ্রিয়

আব্দুল্লাহ আলিফের নির্মাণে আসছে ‘ভালো থেকো নীরা’

শিরোনাম: নাট্যকার ও নির্মাতা আলী সুজনের নাট্যজগতের দীর্ঘ পথচলা

প্রকাশের সময় : ০২:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক:

দৈনিক আয়না শহর ঃ

নাট্যকার ও নাট্যনির্মাতা আলী সুজন বাংলাদেশের টেলিভিশন নাট্যাঙ্গনের একজন পরিচিত নাম। শিল্প–সংস্কৃতির উর্বর ভূমি কিশোরগঞ্জ জেলার,করিমগঞ্জ উপজেলার সদর আশুতিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া এই নির্মাতা দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশন নাটক ও টেলিছবি নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।

তার রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত বহু নাটক ও টেলিছবি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য টেলিছবি “আশা নিরাশার বেলা”, “বাকতলির পরি”, “কেবিন নাম্বার ৪০/৮০” যা মাছরাঙ্গা টেলিভিশন-এ প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া “মনদরিয়ার মাঝি” প্রচারিত হয় একুশে টেলিভিশন-এ এবং “বজলো লাঠিয়াল” ও “নীর ভাঙ্গা ঢেউ” প্রচারিত হয়েছে চ্যানেল আই-এ।
নাটক “যে ভুলের নেই সীমানা” একুশে টেলিভিশনে, “ভালোবাসার মাইর প্যাচ” ও “তোতামি আর হানিমুন” এশিয়ান টেলিভিশন-এ এবং “এখানে রাত হয়ে যায়” ও “শূন্যতায় খুঁজি” নাগরিক টিভি-তে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়াও তার নাটক “নিঃশব্দ বিচরণ” ও “টেলি লাভার বয়” প্রচারিত হয়েছে এটিএন বাংলা-এ। নাটক “অতঃপর যা হলো” প্রচারিত হয়েছে আরটিভি-তে।

পর্ব নাটকের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার সফলতা। “মামা ভাগিনা ৫০-৫০”, “রূপসী নাগিন”, “পালাকার”, “হাইপারসনিক লাভ”, “তিন গুণে ত্রিফলা”, “ভিউ পাগলা” এবং “বিয়ের উচ্চতর চাপ” নাটকগুলো বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয়েছে। এছাড়া “বড় ছেলের পরের গল্প” নাটকটি প্রচারিত হয়েছে এশিয়ান টেলিভিশন ও ইউটিউব চ্যানেল সিডিভিশন ড্রামায়।

ধারাবাহিক নাটকের মধ্যেও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য কাজ। এর মধ্যে “ভেলকিচুর”, “নগর জীবন”, “রূপ কুমারের গাঁও”, “রঙের ছাত্রী রঙের মাস্টার”, “ভবের পাগল”, “রঙের মানুষেরা”, “মহানায়ক”, “মহা পণ্ডিত” এবং “খেলার পুতুল” উল্লেখযোগ্য। এছাড়া “মেঘ ও পরীর গল্প” নামের ১৩ পর্বের নাটকটি প্রচারিত হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশন-এ।

বর্তমানে গাজী টেলিভিশন-এর জন্য নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে মেগা ধারাবাহিক নাটক “বুদ্ধিমান গাধা”। নাটকটির রচনা ও পরিচালনা করছেন আলী সুজন এবং এর পাণ্ডুলিপি রচনার কাজ চলমান রয়েছে।

নাট্য নির্মাতা আলী সুজন বলেন, বর্তমানে ইউটিউবের ভিউনির্ভরতা ও কিছু শিল্পীর আকাশচুম্বী পারিশ্রমিকের কারণে তিনি একক নাটক নির্মাণ থেকে অনেকটা দূরে সরে এসেছেন। তাই এখন তিনি মূলত মেগা ধারাবাহিক ও ঈদকে ঘিরে বিশেষ পর্বের নাটক নির্মাণ নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন।